মঙ্গলবার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক ফেরদৌস আরা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. রফিক ফটিকছড়ি উপজেলার ভুজপুর থানার দাঁতমারা ইউনিয়নের পূর্ব সোনাই এলাকার মো. ইউসুফের ছেলে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর স্পেশাল পিপি এমএ নাসের চৌধুরী জানান, বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে মো. রফিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় মো. রফিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
.png)
মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি দাঁতমারা ইউনিয়নে। তার বাড়ির কাছে মুদির দোকান চালাতেন মো. রফিক। সেখান থেকে বিভিন্ন জিনিসপত্র কিনতেন ঐ তরুণী। ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ থেকে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ দিন আগে সকালে দোকানে জিনিসপত্র কিনতে গেলে ঐ তরুণীকে মুখ চেপে ধরে দোকানের ভেতরে নিয়ে যান রফিক। এরপর তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। একইসঙ্গে বিষয়টি গোপন রাখতে বলেন।
পরবর্তীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আরো কয়েকবার ঐ তরুণীকে ধর্ষণ করেন রফিক। একপর্যায়ে তরুণী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানতে পারে পরিবার। পরে ২০১৭ সালের ১১ আগস্ট এ ঘটনায় ভুজপুর থানায় মামলা করেন ঐ তরুণীর চাচাতো ভাই। মামলায় আটজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।