এর আগে, রোববার সন্ধ্যায় ওই উপজেলার সিও অফিস মোড় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মাদক উদ্ধারের নামে ওই দুজন সেখানে যানবাহন তল্লাশি করছিলেন।
গ্রেফতাররা হলেন- গাইবান্ধা সদরের বাদিয়াখালী গ্রামের ২৫ বছরের সঞ্জয় চন্দ্র শীল ও বগুড়ার গাবতলী উপজেলার তেলিহাটা গ্রামের ২১ বছরের শয়ন কুমার শীল। তাদের মধ্যে সঞ্জয় নিজেকে নিজেকে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে পরিচয় দিতেন। আর শয়ন তার সহযোগী।
.png)
এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুপচাঁচিয়া থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, সঞ্জয় নিজেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দিয়ে মাদক উদ্ধারের নামে একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করছিলেন। সেখানে অবস্থান করছিলেন দুপচাঁচিয়া থানার এসআই মোসাদ্দেকুল ইসলাম। ওই সময় সঞ্জয় ও তার সহযোগী শয়নের আচরণে এসআই মোসাদ্দেকুলের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় এ দুজন পেশাদার প্রতারক। এ সময় সঞ্জয়ের কাছ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ের ১২টি ভিজিটিং কার্ড ও একটি মোবাইল উদ্ধার হয়।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারের পর সঞ্জয় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে সঞ্জয়ের ছাড়পত্র নিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।