শনিবার দুপুরে সুস্মিতা দত্তকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, শুক্রবার বিকেলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে তিনি জবানবন্দিতে একমাত্রকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। রোহিত দত্ত শ্যামনগর উপজেলার হরিতলা গ্রামের মৃত গোপাল দত্তের ছেলে। রহিত নকিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
এদিকে, নিহত রোহিতের কাকা উজ্জ্বল দত্ত বাদী হয়ে শুক্রবার রাতেই রোহিতের মা সুস্মিতা দত্তের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
.png)
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার এসআই মো. খবির হোসেন জানান, গ্রেফতার দেখানোর পর সুস্মিতা দত্তকে শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল জানান, ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় শিশুটির মা ও বাপ্পী সরদার নামে স্থানীয় এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মা সুস্মিতা দত্ত ছেলে রোহিতকে জুসের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এছাড়া এ ঘটনায় বাপ্পী সরদারের কোনো সম্পৃক্ততা না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে জুস খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ১১ বছর বয়সী ছেলে রহিত দত্ত। একপর্যায়ে মুখে ফেনা উঠতে থাকে তার। তাৎক্ষণিক রহিতকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর তাদের ঘরের পাশের ড্রেন থেকে একটি বিষের প্যাকেট উদ্ধার হয়। সন্দেহের জেরে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয় নিহত রহিতের মা সুস্মিতা দত্তকে।