মামলা সূত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার সোহাগপুর গ্রামের দেউলি পাড়ার মো. তোয়াজ্জেমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের মো. রতন মিয়ার জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিলো। এরই জের ধরে ২০০৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গ্রামে দু’পক্ষের লোকজনের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের রতন মিয়া, ফারুক মিয়া, সাহেদ আলী, সুলতান মিয়া, আবদুল কাদির মিলে তোয়াজ্জেমের ওপর হামলা চালান। এ সময় মো. বাবুল মিয়া ছুরি দিয়ে তোয়াজ্জেমের গলায় আঘাত করেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় তোয়াজ্জেমের ছেলে আরিফ হাসান হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় বিচার শেষে আদালত ২০১৪ সালের ১৬ এপ্রিল আসামি মো. বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ও রতনসহ মামলার বাকি আসামিদেরকে যাবজ্জীবন ও বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
.png)
ঘটনার পর থেকে রতন মিয়া এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে ছিলেন। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব- ১৪ অভিযান চালিয়ে তাকে শনিবার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চকচন্দ্রপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।
র্যাব- ১৪ ময়মনসিংহের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিডিয়া অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেফতার রতন মিয়াকে কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি মো. আলী হোসেন পিপিএম বলেন, আসামি রতন মিয়া র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। র্যাব তাকে পুলিশের হাতে বুঝিয়ে দিয়েছেন।