সৌদিতে নিহত লক্ষ্মীপুরের সবুজের বাড়িতে স্বজনদের বুকফাটা আর্তনাদ
সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। যাদের একজন সবুজ। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের বাবুরহাটে। ছেলের অকাল মৃত্যুতে বাবা-মায়ের বুকফাটা আর্তনাদে ভারী হয়ে যাচ্ছে আশেপাশের এলাকা।
নিহত সবুজ মাছ ব্যবসায়ী মো. হারুনের বড় ছেলে। চার ভাইবোনের মধ্যে সবুজ দ্বিতীয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সবুজের বাবা হারুন মাছ বিক্রি করে সংসার চালায়। আর্থিকভাবে তেমন একটা স্বচ্ছল নয়। প্রায় ৩ বছর আগে বড় ছেলে সবুজকে সৌদি আরব পাঠানো হয়। তার পাঠানো টাকাতেই পরিবার স্বচ্ছলতার মুখ দেখেছে। খুব শিগগিরই সবুজের দেশে ফেরার কথা ছিল। এর আগে সে ওমরাহ করবে বলেছিল। কিন্তু ওমরাহ করতে যাওয়ার পথে সোমবার (২৭ মার্চ) বাস দুর্ঘটনায় সবুজ আহত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৌদি থেকে খবর আসে, সবুজ মারা গেছে।
.png)
এদিকে খবর পেয়ে রাতে সবুজের বাড়িতে যান রায়পুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক তারেক আজিজ জনি। এসময় তিনি সবুজের বাবার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু সবুজের বাবার বুক ফাটা আর্তনাদ আর কান্না ছাড়া কোনো শব্দ ছিল না বলে জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা জনি। তিনি একই এলাকার বাসিন্দা।
যুবলীগনেতা তারেক আজিজ জনি বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। ছেলেটি ভালো ছিল। তার পরিবারের সবাই কান্নাকাটি করছে। সবুজের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।