রোববার ভোরে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের কোপাখী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুমিতা মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা গ্রামের সমেজ উদ্দিনের মেয়ে।
জানা যায়, শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি এনে দেওয়ার জন্য মিনজু মিয়া তার স্ত্রীকে চাপ দিতেন। তাদের মধ্যে এ নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া হতো। কয়েকদিন আগে স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন মিনজু মিয়া। পরে সুমিতা মির্জাপুর উপজেলা মহেড়া গ্রামে বোনের স্বামীর বাড়িতে ওঠেন। শনিবার মিনজু মিয়া মোবাইল ফোনে স্ত্রী সুমিতাকে ডুবাইল গ্রামের কোপাখী গ্রামের বাড়িতে আসতে বলেন। একইদিন সুমিতা তার বোন ববিতা এবং মা হালিমাকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি আসেন। রোববার ভোরে মিনজু মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিনজু মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই সুমিতা নিহত হন।
.png)
নিহত সুমিতার মা হালিমা বেগম জানান, তার সামনেই মিনজু সুমিতাকে হত্যা করেছে। ওয়ারিশের সামান্য কিছু টাকার জন্য মিনজু তার মেয়েকে হত্যা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
দেলদুয়ার থানার ওসি নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, ভুক্তভোগীর বোন ববিতা বাদী হয়ে মিনজু এবং তার মাসহ নয়জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এ মামালার প্রধান আসামি মিনজুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।