আহতরা ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাই ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের বাসিন্দা।
আহত রাকিব হাওলাদার বলেন, শুক্রবার বিকেলে আমাদের ভৈরবাপাশ ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশের সড়কে একটি দোকানে আমার ভাই আ. রহমান কাজ করছিল। এ সময় খালাতো ভাই মো. রবিউল মৃধা মসজিদ থেকে মিলাদের মিষ্টি নিয়ে এসে ভাইকে জোর করে খাইয়ে দিতে চাইলে সে অপাগরতা প্রকাশ করেন। তাতে আমার খালাতো ভাই তাকে বকাবকি করেন। একপর্যায়ে তার সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসব শুনে আমরা ঘটনাস্থলে তাদের শান্ত করতে যাই। এরই মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের প্রতিবেশী তোজম্বার আলীর দুই ছেলে মো. সহিদ ও মো. শাহিন লাঠিসোঁটা নিয়ে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পরেন। তাদের এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে আমার বড় ভাই জাহিদ হাওলাদারের মাথা ফেটে যায়। অন্যদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়েছে।
.png)
আহত জাহিদ হাওলাদারের বাবা জাহাঙ্গির হাওলাদার বলেন, যে মিষ্টি খাওয়াতে চাইছিল তাদের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সমস্যা রয়েছে। তাই সন্দেহ হওয়ায় আমার ছেলে মিষ্টি খায়নি। সেটা নিয়ে দুই খালাতো ভাইয়ের মধ্যে একটু হাতাহাতি হয়েছে। কিন্তু যারা আমাদের মেরেছে তাদের সঙ্গে তো আমাদের কোনো ঝামেলা নেই। তারা কেন হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা করলো সেটা বুঝতে পারছি না। আমাদের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য মো. রবিউল মৃধার মুঠোফোনে কল দিলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়েও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মো. শাহিন আলী বলেন, আমরা তাদের মারিনি। তারা দুই খালাতো ভাই মারামারি করতেছিল বরং আমরা তাদের দুইজনকে ছাড়িয়ে দিয়েছি। তাদের কারো গায়ে হাতও তুলিনি। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
নলছিটি থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, ঘটনাটি জানার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।