রোববার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি সীতাকুণ্ডের বাসিন্দা।
নিহত কুতুব উদ্দিন ঐ জাহাজের ইঞ্জিন রুমে সুয়ানি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
.png)
জানা গেছে, নিহত কুতুব উদ্দিন চট্টগ্রাম থেকে সাড়ে তিন লাখ লিটার পেট্রল ও ১০ লাখ লিটার ডিজেল নিয়ে গত ৯ মে মঙ্গলবার বরিশালে যান। চট্টগ্রাম থেকে জাহাজটি যাওয়ার সময় সাগর দেখতে তার ছেলে স্বাধীনও বাবার সঙ্গে যান। বিস্ফোরণে স্বাধীনের মৃত্যু হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার মারা যান তিনি।
কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদ হোসেন চৌধুরী বলেন, বিস্ফোরণ বাবা-ছেলের মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে নোঙর করে রাখা জাহাজের তেলবাহী ট্যাংকারে ইঞ্জিন রুমে বিস্ফোরণ হয়। এতে ট্যাংকারের শ্রমিক বাবুল কান্তি দাস (৬৪) ও স্বাধীন (২২) ঘটনাস্থলেই মারা যান।