সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে মাটিতে ফেলে বুকের ওপর বসে কিল, ঘুষি ও লাঠি দিয়ে পেটানো হয় সাবিনাকে। এ সময় নাক-মুখে ও চোখে আঘাত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, মারধরের পর সাবিনাকে কোনো ধরনের চিকিৎসা না করে বাইরে ফেলে রাখেন। পরে সাবিনার মাকে মোবাইল করলে তারা এসে বৃহস্পতিবার সকালে সাবিনাকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করান। সাবিনার শারীরিক অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠিয়েছেন।
.png)
হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, সাবিনার মুখ ফুলে চেহারা বিকৃত হয়ে আছে। এক চোখ লাল হয়ে গেছে ও রক্ত জমে গেছে। এ সময় সাবিনার ১৩ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তানকে তার কোলে বসে থাকতে দেখা যায়।
সাবিনা জানান, ছয় বছর আগে আমতলীর বসার চৌকিদারের ছেলে রাকিবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সাবিনার বাবার বাড়ি কলাপাড়ার ধানখালী গ্রামে। বাবা নেই। বিয়ের ছয় মাস পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতন শুরু করেন তার স্বামী। সাবিনার মা লিপি বেগম গবাদিপশু, টাকা-পয়সা যখন যা পেরেছেন মেয়ের সুখের আশায় রাকিবের বাড়ি পাঠিয়েছে। এরপরও মন গলেনি রাকিবের। যখন-তখন মারধর করতে থাকেন।
এ ব্যাপারে রাকিব বলেন, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে রাগের মাথায় তাকে একটি লাথি দিয়েছি। তারপর আমি ডাক্তারের কাছে গিয়ে ওষুধ এনে খাইয়েছি। এর বেশি কিছু হয় নাই।
তবে এ ব্যাপারে জানার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালের চিকিৎসক সেলিমা জাহানকে ফোন করলে তিনি কোনো মন্তব্য জানাননি।