মঙ্গলবার নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-৫ এর বিচারক মুহাম্মদ সামছুল ইসলাম এ রায় দেন। খালাস পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- শামসুদ্দিনের সৎ মা সেফালী বেগম, পারভেজ ও অবনি চন্দ্র শীল।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ১৪ জুন মামলার বাদী মোছা. আখিনুর বেগমের সঙ্গে আসামি শামসুদ্দিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর আখিনুরকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন স্বামী শামসুদ্দিন।
.png)
এরপর ২০১৭ সালে ব্যবসা করার জন্য আখিনুরের পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন স্বামী শামসুদ্দিন। টাকা না দেওয়ায় ঐ বছরের ১ জুলাই বাদীকে মারধর করার কথা উল্লেখ করা হয় এজাহারে।
এ ঘটনায় ঐ বছরের ৫ জুলাই রাজধানীর ভাষানটেক থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন আখিনুর বেগম। মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক নুরুল ইসলাম শিকদার।