রোববার ভোরে কুষ্টিয়া পৌরসভার এনএস রোড সিঙ্গার মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত খোরশেদ আলম পাবনার ঈশ্বরদীর মাঝদিয়া ছোটপাড়া এলাকার নুরুল হকের ছেলে।
র্যাব-১২ এর কুষ্টিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
.png)
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাকরি দেওয়ার কথা বলে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার ছেউড়িয়া মন্ডলপাড়া এলাকার সাইফুল আলম সেন্টু ও সেতু রহমান নামে দুই যুবকের কাছ থেকে আট মাস আগে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন খোরশেদ। টাকা নেয়ার পর ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন মেডিকেল রিপোর্ট করানো হয়। মেডিকেল করানোর পর বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের মাসের পর মাস ঘোরাতে থাকেন। পরে খোরশেদ যোগাযোগ বন্ধ করাসহ তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন।
ভুক্তভোগীদের সন্দেহ হলে খোরশেদের এলাকায় খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন- খোরশেদ চাকরি দেওয়ার কথা বলে একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সে গা-ঢাকা দিয়েন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম সেন্টু ও সেতু রহমান কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি প্রতারণা মামলা দায়ের করেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় খোরশেদকে আটক করা হয়। রোববার দুপুরে তাকে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।