মঙ্গলবার দুপুরে নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ঝুনু বেগম নিহত মোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী। তিনি উপজেলার খড়িয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০ বছর আগে ঐ এলাকার বাসিন্দা নিহত মোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে অভিযুক্ত সাজাপ্রাপ্ত ঝুনু বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ঝুনু বেগম একটি ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতেন। চাকরির বিষয়টা ঝুনুর স্বামী মোফাজ্জল পছন্দ করতেন না। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেই থাকতো।
এরই জের ধরে ২০২২ সালের ২১ জুলাই রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এ সময় ঝুনু বেগম শাবল দিয়ে স্বামী মোফাজ্জলের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে নিহতের ভাই আলী হোসেন বাদী হয়ে শিবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও আদালতের জিজ্ঞাসাবাদে ঝুনু বেগম হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে ১৪ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমান শেষে মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন আদালত।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার হালিম ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন আরিফুল ইসলাম।