নিহত নির্মাণ শ্রমিকের নাম নয়ন মিয়া (২০)। তিনি বিশ্বনাথ থানার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। এছাড়া এ ঘটনায় হাত পা বাঁধা অবস্থায় আইয়ুব আলী (২৬) নামে আরো এক শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রংপুরের বাসিন্দা।
এ ঘটনায় ভবন নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন, দিনাজপুরের রুবেল (৩২), কুড়িগ্রামের নারায়ণপুরের আব্দুর রহমানের ছেলে আমিনুল ইসলাম, একই এলাকার মো. শহীদের ছেলে আয়নাল ও ময়নাল আলীর ছেলে সাবান আলী। তারা সবাই ওসমানী হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
.png)
জানা গেছে, ভবন নির্মাণের দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তির টাকা চুরির অপবাদে নয়ন ও আইয়ুব আলীকে আটক করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। পরে তাদের কাছ থেকে চুরির টাকা উদ্ধার করতে হাত-পা বেঁধে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে নয়নের অবস্থা গুরুতর হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানান, শ্রমিক হত্যার ঘটনায় আমরা এ পর্যন্ত চারজনকে আটক করেছি। আমরা ঘটনা খতিয়ে দেখছি, আসলেই কি চুরির কোনো ঘটনা ঘটেছিল বা অন্য কোনো কারণ আছে কিনা। অপরাধী যেই হোক তাদেরকে ছাড় দেওয়া হবে না।