সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সি-সেইফ লাইফ গার্ড কর্মী মো. ওসমান বলেন, সুগন্ধা পয়েন্টে ‘ইয়েলো-বেলিড সি স্নেক’ নামের সাপটি দেখতে পান স্থানীয় কিছু লোকজন। পরে গায়ে বালু মারতে থাকলে সাপটি সাগরে চলে যায়। এটি বিষধর সাপ। এদের পেটের রঙ হলুদ এবং দেহের উপরিভাগ কালো।
গবেষকদের মতে, ‘ইয়োলো-বিল্ড সি স্নেক’ নামের সাপটি উষ্ণ জলে বংশবৃদ্ধি করে। এই সাপের ওভোভিভিপারাস এবং গর্ভধারণের সময়কাল প্রায় ছয় মাস। এই প্রজাতিটি মৌসুমি খরার সময় সাত মাস পর্যন্ত মারাত্মক ডিহাইড্রেশনে বেঁচে থাকতে পারে। কখনো কখনো এরা সমুদ্রের ড্রিফ্ট লাইনে জলের পৃষ্ঠে চলাচল করে। আশ্রয়ের খোঁজে থাকা পেলাজিক মাছকে আকৃষ্ট করার জন্য এরা জলের উপরিভাগে ভেসে শিকার করে। পেছনের দিকে সাঁতার কাটার ক্ষমতা এই প্রজাতির সাপের একটি অস্বাভাবিক এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।
.png)