রং নম্বরে প্রেম, বন্ধুদের নিয়ে কলেজছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করল প্রেমিক
রং নম্বর থেকে মোবাইলে প্রথম পরিচয় হয় কলেজছাত্রী ও সোহাগের। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে শনিবার বিকেলে দেখা করতে মোবাইলে কলেজছাত্রীকে ডেকে নেন প্রেমিক সোহাগ। সেখানে বিয়ের প্রলোভনে পাশের ভুট্টাখেতে নিয়ে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেন প্রেমিক। পরে সোহাগের দুই বন্ধু এসে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।
ঘটনাটি ঘটেছে লালমনিরহাট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট এলাকায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় রোববার সকালে লালমনিরহাট সদর থানায় কথিত প্রেমিক সোহাগের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন নির্যাতনের শিকার কলেজছাত্রীর বড় বোন। এর আগে শনিবার (১৭ জুন) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার এয়ারপোর্ট এলাকার ভুট্টাখেতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
.png)
জানা যায়, রং নম্বর থেকে মোবাইলে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন সোহাগ। দুই বছর ধরে তাদের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। শনিবার বিকেলে এয়ারপোর্টে দেখা করতে মোবাইলে কলেজছাত্রীকে ডেকে নেন প্রেমিক সোহাগ। সেখানে বিয়ের প্রলোভনে পাশের ভুট্টাখেতে নিয়ে ধর্ষণ করেন সোহাগ। পরে সোহাগের দুই বন্ধু এসে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান তারা। খবর পেয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করে পুলিশ। রোববার সোহাগকে আসামি করে লালমনিরহাট সদর থানায় অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বড় বোন।
ওই কলেজছাত্রী জানান, প্রায় দুই বছর আগে মোবাইলে অপরিচিত নম্বর থেকে একটি কল আসে। ওই নম্বরের ব্যক্তি নিজেকে সোহাগ পরিচয় দিয়ে মাঝেমধ্যে কথা বলতো। একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৭ জুন বিকেলে দেখা করার কথা বলে ডেকে নেন তিনি। সেখানে দেখা করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তিনি।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।