মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন। এ সময় আদালতে আসামি উপস্থিত ছিলেন না।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে ফরিদপুর শহরের কমলাপুর মহল্লার দবির উদ্দিনের বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করে শিশু কেয়া খাতুন। ঐ বাড়িতে ভাড়া থাকতেন গোপালগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার পাইকেরডাঙ্গি গ্রামের আসামি আলী হাসান সরদার।
.png)
২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আলী হাসানের কুনজরে পড়ে যায় কেয়া। তাকে উত্যক্ত করাসহ অনৈতিক প্রস্তাব দিতে থাকলে বাড়ির মালিককে জানানো হয় বিষয়টি। একপর্যায়ে আলী হাসান শিশুটিকে হত্যার হুমকিও দেন।
২০১৪ সালের ২ অক্টোবর রাত আটটার দিকে দবির উদ্দিনের ঘর থেকে কেয়ার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় কেয়ার বাবা বারেক শেখ বাদী হয়ে পরের দিন মো. আলী হাসান সরদারসহ দুই জনের নাম উল্লেখ করে এবং আজ্ঞাত আরো অনেককে আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালে ১ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিনুজ্জামান। অভিযোগপত্রে মো. আলী হাসান সরদারকে একমাত্র আসামি করা হয়।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নওয়াব আলী জানান, আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে এ দণ্ড কার্যকর হবে।