বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পশ্চিম সুন্দরবনের কালাবগী ফরেস্ট স্টেশন এলাকার সুতারখালী নদীতে মাছ ধরার সময় খায়রুল ইসলাম মোড়লকে (২৩) কুমির টেনে নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, খায়রুল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার এক ফুফুকে নিয়ে সুতারখালী নদীর তীরে খেপলা জাল দিয়ে মাছ ধরছিলেন। জালে ধরা পড়া মাছ পাত্রে রাখছিলেন তার ফুফু বুলবুলি। হঠাৎ একটি কুমির খায়রুলকে ধরে পানির মধ্যে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় বুলবুলির চিৎকারে স্থানীয়রা এসে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। পরে খায়রুলকে মুখে নিয়ে কুমিরটি নদীর চরে ওঠে। এ সময় কুমিরের মুখ থেকে খায়রুলকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলে কুমিরটি আবারও পানিতে ডুব দেয়। কিছুক্ষণ পর কুমিরটি ভেসে ওঠে। তবে খায়রুলকে আর দেখা যায়নি।
.png)
স্থানীয় ইউপি সদস্য নিমাই মণ্ডল বলেন, ঘটনার পর এলাকার অন্তত ২০০ লোক মিলে নৌকা ও ট্রলার নিয়ে খোঁজাখুঁজি করেছি। এত মানুষ আর ট্রলার-নৌকা দেখে কুমির পানির ওপর দাপিয়ে বেড়িয়েছে। একপর্যায়ে কুমিরের গায়ে নোঙর লাগলে কুমিরটি পানির ওপর মুখ উঁচু করে। তবে কুমিরের মুখে খায়রুলকে দেখা যায়নি। এরপরও এলাকার মানুষ পাহারায় ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে লাশ নদীতে পাওয়া গেছে।