মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের সেংগুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ১৫ বছর আগে প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর সরিষাবাড়ী উপজেলার আমজাদ ভুঁইয়ার ছেলে রুবেল মিয়ার ধনবাড়ী উপজেলার কাঠালিয়াবাড়ীর নুরুলের মেয়ে নাছিমা বেগমের সঙ্গে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের পরিবারে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কয়েক মাস আগে রুবেল টারিয়াপাড়া এলাকার রাশেদা নামে এক নারীকে তৃতীয় বিয়ে করেন। তৃতীয় বিয়ের পর নাছিমাকে তালাক দিয়ে পুনরায় বিয়ে করেন রুবেল। এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া রুবেল তার স্ত্রী নাছিমাকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।
.png)
রুবেল মিয়া মঙ্গলবার সকালে বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ অবস্থায় নাসিমা তার গায়ে লবণ ও শুকনা মরিচের গুঁড়া মেশানো গরম পানি ঢেলে দেন। এ সময় রুবেল মিয়া চিৎকার শুরু করলে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
রুবেলের ভাতিজা আব্দুর রশিদ বলেন, চাচার চিৎকারে আমি এগিয়ে যাই। গিয়ে দেখি চাচার ওপর গরম পানি ঢেলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঝলসে দেওয়া হয়েছে। চাচাকে হত্যার জন্য এ কাজ করেছেন চাচি। পরে চাচাকে চিকিৎসার জন্য সরিষাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
সরিষাবাড়ী হাসপাতালের চিকিৎসক মেহেদী হাসান জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তার অবস্থার অবনতি দেখে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার ওসি মুহাম্মদ মহব্বত কবীর জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।