এর আগে বুধবার (৫ জুলাই) রাত ৮টার দিকে রাফিয়ার এবং বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে মা তন্নী বেগমের মৃত্যু হয়। এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের উত্তর কুপধন এলাকায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত তন্নী বেগম একই এলাকার করম পহলানের ছেলে রিয়াজের স্ত্রী। তাদের সংসারে রাফিয়া প্রথম সন্তান।
.png)
রাফিয়ার বাবা রিয়াজ পহলান জানান, গত ৪ জুলাই রাফিয়ার শরীরে জ্বর দেখে স্থানীয় ফার্মেসিতে নিয়ে গেলে সেখান থেকে শিশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় রাফিয়ার বাবা রিয়াজকে। সেখান থেকে বরগুনার শিশু বিশেজ্ঞ এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তারা। সেখান থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি আসলে রাফিয়া কিছুটা সুস্থ হয়। পরে আবারো তার জ্বর বেড়ে যায়।
বুধবার (৫ জুলাই) সন্ধার দিকে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথে রাফিয়ার মৃত্যু হয়। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে পরের দিন সকালে দাফনের জন্য রাখা হয়। সকালে মা তন্নী বেগম তার শ্বশুর করম পহলানকে তার জন্য ২ রাকাত নামাজ পরে দোয়া করার কথা বলে সন্তানের লাশের সামনে গিয়ে লুটিয়ে মাটিতে পড়ে যান। তার অবস্থা খারাপ দেখে চিকিৎসককে ডাকতে বলার কিছুক্ষণ পরেই সন্তানের মরদেহের সামনেই তার মৃত্যু হয়।