সাড়ে ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চারজনের ১৫ বছরের কারাদণ্ড
বগুড়ায় দুর্নীতির দায়ে সোনালী ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাসহ চারজনের ১৫ বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আত্মসাৎ করা ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৩ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে বগুড়ার স্পেশাল জজ অম্লান কুমার জিষ্ণু এ রায় দেন। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী এস এম আবুল কালাম আজাদ।
.png)
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার সাবেক (বর্তমানে বরখাস্ত হওয়া) হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা খলিলুর রহমান, সোনালী ব্যাংকের দুপচাঁচিয়া শাখার সাবেক ক্যাশ অফিসার আব্দুল বারি, ইউনুস আলী ও আব্দুস ছালাম।
আইনজীবী এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাজাপ্রাপ্তরা ২০১৫ সালে ভুয়া পেনশন হোল্ডার (পিপিও) দিয়ে মাসিক ভাতা হিসেবে টাকা উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেন। তারা মোট ১১ কোটি ৭৪ লাখ ৬১ হাজার ৮৬৩ টাকা আত্মসাৎ করেন। এমন অভিযোগে দুদকের বগুড়া কার্যালয়ের তৎকালীন সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর মামলা করেন। মামলায় তদন্ত শেষে ২০১৬ সালে আসামিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এ মামলায় দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে সাজা প্রদান করা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রত্যেক আসামিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জরিমানা অনাদয়ে তাদের আরও ৯ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণা শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়।