এর আগে শুক্রবার (২১ জুলাই) রাতে সোনাকান্দা কবরস্থান রোড এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে ডাকাত দল এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটিয়েছে। নিহত জয়নাল উদ্দিন সোনাকান্দা কবরস্থান রোড এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, সোনাকান্দা কবরস্থান রোড এলাকায় জৈনিক রাসেল মিয়ার মালিকাধীন তিনতলা বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ চলছে। ভবনের নির্মাণ সামগ্রী মালামালের জন্য রাতে নাইটগার্ড হিসেবে জয়নাল উদ্দিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। দীর্ঘ ৩-৪ মাস ধরে নাইটগার্ডের ডিউটি করে আসছেন তিনি। শুক্রবার রাত ২-৩টার মধ্যে সংঘবদ্ধ একটি দল ভবনে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
.png)
এ সময় নাইটগার্ড জয়নাল ডাকাতদের বাধা দিলে ডাকাতরা ছুরিকাঘাত করে রাস্তায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যান। ভোরে পথচারীরা নাইটগার্ডকে রক্তাক্তবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তার বাড়িতে খবর দেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখা দিলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে ভর্তির দু’দিন পর রোববার দুপুরে মারা যান তিনি।
ভবন মালিক রাসেল মিয়া বলেন, আমার বিল্ডিংয়ের নির্মাণ সামগ্রী পাহারার জন্য জয়নালকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। শুক্রবার রাতে কোনো এক সময়ে মালামাল নিতে সংঘবদ্ধ ডাকাত চোরের দল এখানে আসেন। এ সময় তাদের বাধা দেওয়ায় তাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
বন্দর থানার ওসি আবু বকর ছিদ্দিক জানান, নাইটগার্ডের হত্যার ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।