এ ঘটনায় বিকেল ৪টার দিকে মো. সাজ্জাদ নামে এক কিশোরকে আটক করা হয়।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কামাল দেওয়ানের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকতেন সাজ্জাদ, নজরুল ইসলাম, জহিরুল ও ইমরান শেখ নামে চারজন বসবাস করে আসছিলেন। রোববার সকালে সাজ্জাদ ছাড়া বাকি সবাই কাজের জন্য বের হন। পরবর্তীতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঐ ঘর থেকে রক্ত গড়িয়ে বাইরে বের হতে দেখা যায়। পরে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ এবং ঢাকা থেকে আসা সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কিশোরের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে।
.png)
প্রতিবেশী নারী মেহেরুনেছা বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সাজ্জাদ রান্না ঘরে এসে বলে আমার কাছে বঁটি চায়। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি বঁটি দিয়ে কি করবি? উত্তরে সে আমাকে জানায় ফ্যানের সঙ্গে একটি রশি আছে সেটি কাটতে হবে। এরপর সে বঁটি নিয়ে চলে যায়। আমি আর কিছুই জানি না।
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খায়রুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন নামে এক শ্রমিককে আটক করা হয়েছে। তাকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। হত্যার প্রাথমিক ক্লু পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নিহত যুবকের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।