রাজবাড়ী সদরের আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। হরমোনজনিত কারণে এটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গ্রামে মহিউদ্দিন দেওয়ানের দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে সীমা ছিলেন তৃতীয়। ২০১৩ সালে স্থানীয় একটি মাদরাসায় দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় হঠাৎই পরিবর্তন আসে সীমার শরীরে। পাল্টে যায় তার চলাফেরার ধরন ও কণ্ঠস্বর। এরপর একদিন বড় ভাইয়ের শার্ট-প্যান্ট পরে সেলুনে গিয়ে চুল কেটে নিজেকে ছেলে হিসেবে পরিপূর্ণ রূপ দিলেন সীমা। পারিবারিক সম্মতিতে নাম বদলে হয়ে যান রাব্বী হাসান।
.png)
গত ১০ বছর ধরে এ পরিচয়েই আলীপুর ইউনিয়নের আলাদিপুর বাজারে বাবার কসমেটিকসের দোকান পরিচালনা করছেন তিনি।
রাব্বী হাসান বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পরিপূর্ণ ছেলে হিসেবে জীবনযাপন করছি। আমি মা-বাবা ও পরিবার নিয়ে ভালোই আছি। পরিবারের লোকজন আমার জন্য পাত্রী পছন্দ করে নাকফুল পরিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি আমি বিয়েও করবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার মো. উজ্জল খান বলেন, ১০ বছর আগে সীমা মেয়ে থেকে ছেলে হয়ে যায়। সেই থেকে আলীপুর বাজারে তার বাবার কসমেটিকসের দোকান চালাচ্ছেন। ছেলে হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় রাব্বী হাসান। এনআইডি কার্ডসহ সব কাগজপত্রেই সে এখন রাব্বী হাসান। পরিবারের লোকজন তার জন্য পাত্রী ঠিক করেছেন। খুব দ্রুতই সে বিয়ে করবে বলে শুনেছি।