শনিবার দুপুরে প্রতারণার মামলা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার এসআই রাসেল মিয়া জানান, প্রতারকদের ধরতে শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাতে ছদ্মবেশে ফাঁদ পাতে পুলিশ। এ সময় প্রতারকদের একজন নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ইয়ারপুর গ্রামের ইমন আলীর ছেলে সাইফুল ইসলাম অটোরিকশাচালক সেজে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। পেছনে যাত্রী বেশে বসেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার জাহাঙ্গীরের ছেলে মোহাম্মদ মিলন ও চট্টগ্রাম সন্দীপ উপজেলার মাইটভাঙ্গা গ্রামের ইলিয়াস সওদাগর মেয়ে রাশেদা আক্তার। ছদ্মবেশে তাদের সঙ্গে যোগ দেন এক পুলিশ সদস্য।
.png)
তারা পুলিশ সদস্যকে অটোরিকশার মাঝের সিটে বসান। এরপর অটোরিকশাচালক যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি অশিক্ষিত মানুষ কাগজে মোড়ানো এক টুকরো সোনা আছে আপনারা কি দেখবেন? যাত্রীরা দেখেন কাগজের টুকরো লেখা আছে ‘এই সোনা দিয়ে একটি কাকন ও নাকের ফুল ও কানের দুল বানানোর জন্য স্বর্ণকার কাছে নিয়ে যান’।
এ সময় প্রতারক সদস্যদের একজন বলেন, ‘এটা তো সত্যিকারের সোনা আমার কাছে টাকা থাকলে নিয়ে নিতাম’। অপরজন বলেন, ‘এটা তো আসলেই সোনা আপনি নিয়ে নেন’। এই বলে ছদ্মবেশে থাকা পুলিশ সদস্যকে প্রলুব্ধ করতে প্রতারণার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ হাতেনাতে প্রতারকদের গ্রেফতার করে এবং তাদের সঙ্গে থাকা নকল সোনার বারটি উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
দাগনভূঞা থানার ওসি নিজাম উদ্দিন বলেন, গ্রেফতারের পর আদালতের মাধ্যমে প্রতারকদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।