মৃত সানা উল্লাহ উপজেলার বামনী ইউনিয়নের পূর্ব সাগরদী গ্রামের কাজী বাড়ির মৃত আবদুল হক কাজীর ছেলে। বাড়ির পাশে চা দোকান করে সংসার চালাতেন তিনি। তার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।
বৃদ্ধ সানা উল্লাহর বড় ভাই আনসার উল্লাহ ও ছেলে হৃদয় জানান, সানা উল্লাহ আশা, টিএমএস, পল্লী মঙ্গল ও রিক নামে চারটি এনজিও থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকা ঋণ নেন। অভাবের কারণে তিনি ঠিকমতো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারতেন না। প্রায়ই এনজিওর মাঠকর্মীরা বাড়িতে এসে টাকার জন্য বসে থাকতেন। কোনো কোনো এনজিও কর্মী গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে অবস্থান করতেন এবং অপমানজনক কথা বলতেন।
.png)
রোববার (২৭ আগস্ট) রাত ১২টা পর্যন্ত আশা এবং পল্লী মঙ্গলের দুই কর্মী টাকার জন্য বাড়িতে অবস্থান নেন। যাওয়ার সময় তারা ঘরের বেড়া খুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন। এতে সানা উল্লাহ অপমানবোধ করেন। পরে সোমবার সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে এবং অপমান সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে দাবি পরিবারের।
রায়পুর থানার ওসি শিপন বড়ুয়া বলেন, বাড়ির পুকুর পাড় থেকে সানা উল্লাহর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।