তারা শ্যামনগর থানার নুরনগর গ্রামে সিরাজুল ইসলামের বাড়ি হতে সোমবার ভোরে আব্দুস সালাম মোড়লকে গ্রেফতার করেন।
এদিন, বিকেলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক বর্ণালী রানীর কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন আব্দুস সালাম।
.png)
যশোর পিবিআই’র পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন জানান, গত ২৭ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গ্রেফতারকৃত আসামি আব্দুস সালামের ভাড়াটিয়া বাসায় রেশমা খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান মামলার বাদী। তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশকে অবহিত করেন। পরে মরদেহের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
তিনি আরও জানান, আসামি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ভিকটিম রেশমা খাতুন তার দ্বিতীয় স্ত্রী। ৩/৪ বছর ধরে ভিকটিমের সঙ্গে আব্দুস সালামের পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। এমতাবস্থায় গত ২৭ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে আব্দুস সালামের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ফের ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে আব্দুস সালাম ঘরে থাকা কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাতে হত্যা করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত আসামি ঘটনার সঙ্গে জড়িত মর্মে স্বীকার করলে সোমবার বিকেলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক বর্ণালী রানীর কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।