অনুসন্ধানে জানা যায়, চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের মৃত মকতুল হোসাইনের ছেলে নিয়াজুর রহমান বাদী হয়ে একই উপজেলার কাঞ্চননগর গ্রামের মৃত হাজী রমিজ আহমদের ছেলে মো. রাশেদকে আসামি করে পটিয়া যুগ্ম ও জেলা জজ আদালতে ৬০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার হওয়ার মামলা করেন।
এদিকে, মামলার আসামি মো. রাশেদ চেকটি চুরি করে তার স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে মামলাটি দায়ের করেছেন মর্মে দাবি করেন।
.png)
আসামি মো. রাশেদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত চট্টগ্রাম সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে হস্তরেখা বিশারদের মাধ্যমে স্বাক্ষরটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রেরণ করেন। চট্টগ্রাম সিআইডির হস্তলিপি বিশারদ ও উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল আহাদ চেকটিতে মো. রাশেদের স্বাক্ষরটি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে সৃজিত মর্মে প্রতিবেদন প্রেরণ করেন।
গত ৩১ জুলাই পটিয়া যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাজমুল হোসেন চৌধুরী চেকটির স্বাক্ষর জাল-জালিয়াতির করা হয়েছে প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি খারিজ করে দেন। বাদী নিয়াজুর রহমান মিথ্যা মামলা করায় আদালত তার বিরুদ্ধে ২১১-সহ একাধিক ধারায় পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।
সোমবার (২৮ আগস্ট) আদালতের পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষিতে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী কানু দে বাদী হয়ে নিয়াজুর রহমানের বিরুদ্ধে পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২১১-সহ আরো কয়েকটি ধারায় মামলা করেন। আদালতের বিচারক বেগম তাররাহুম আহমেদ মামলাটি আমলে নিয়ে আসামি নিয়াজুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
আসামি মো. রাশেদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সনজিত শীল বলেন, মো. রাশেদের চেক চুরি করে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে চেকে স্বাক্ষর দিয়ে করা মামলাটি আদালতে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। আদালত বাদীর বিরুদ্ধে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন।