খাগড়াছড়ি সদর থানার ওসি আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে আবির হোসেন (৮) নামে এক শিক্ষার্থীকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়। নিহত আবির হোসেন পানছড়ির আইয়ুব নগর এলাকার সরোয়ার হোসেনের ছেলে।
.png)
নিহত আবির হোসেনের চাচা দেলোয়ার হোসেন বলেন, এক মাস আগে ভাতিজাকে খাগড়াছড়ি সদরের ভুয়াছড়ি রাজশাহী টিলা এলাকার বায়তুল আমান ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার হেফজ বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় আবিরের বাবা আমাকে হাসপাতালে আসতে বললে এসে দেখি আমার ভাতিজা মৃত।
আবিরের খালু নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আবিরকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখে ও কানেও আঘাত এবং মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়েছে।
বায়তুল আমান হেফজখানার পরিচালক ফরিদুল আলম জানান, দুই মাস হেফজ বিভাগে আমিনুল ইসলাম নামে ঐ হুজুর যোগ দেন। কী কারণে ছাত্রকে মারধর করা হয়েছে বিষয়টি জানি না। ঘটনার সময় তিনি প্রতিষ্ঠানে ছিলেন না বলেও জানান।
খাগড়াছড়ি আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রিপল বাপ্পী চাকমা জানান, মরদেহের সুরতহালের সময় শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।