মঙ্গলবার রাতে উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৭৫৫/৩-এস সংলগ্ন সাধুপাড়া এলাকা থেকে সোনার বার দুটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত বার দুটির ওজন দুই কেজি ১২৬ গ্রাম, যার বাজার মূল্য এক কোটি ৬৬ লাখ ৩৮ হাজার ৭৬ টাকা।
বুধবার দুপুরে ঘাগড়া বিওপি চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান ৫৬-বিজিবি নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আসাদুজ্জামান হাকিম।
.png)
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে কোনো কিছু পাচার করছে সন্দেহে এক ব্যক্তিকে ধাওয়া করে বিজিবির টহলদল। ধাওয়া খেয়ে সন্দেহজনক ব্যক্তি সীমান্তের শূন্যরেখা অতিক্রম করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি শপিং ব্যাগ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়ে যায়। বিজিবির টহলদল ওই ব্যাগ তল্লাশি করলে সোনার বার দুটি পাওয়া যায়।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর একই বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৭৫৫/৪-এস সংলগ্ন প্রধানপাড়া এলাকা থেকে পাচারের সময় ২০টি সোনার বারসহ মো. জুয়েল নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে বিজিবি। যেগুলোর বাজার মূল্য ১৫ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৭৮ টাকা।
৫৬-বিজিবি নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আসাদুজ্জামান হাকিম বলেন, এ এলাকার সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন পণ্য চোরাচালানের খবর পাওয়া গেলেও সোনা পাচার চেষ্টার ঘটনাটি নতুন। এটি একটি বড় চালান ছিল। বিজিবি অভিযান চালিয়ে সোনা উদ্ধারে সক্ষম হয়েছে। সীমান্তে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ৫৬-বিজিবি নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত অধিনায়ক আলী আকবর, সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দীন, ঘাগড়া বিওপির ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আনোয়ারুল ইসলাম প্রমুখ।