এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দীন আহমেদ।
তিনি জানান, শনিবার সকালে গোপন মাধ্যমে সংবাদ আসে; কান্দরপাড়া এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে আসতে পারে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টহল দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর টহলদল এক ব্যক্তিকে নাফ নদী পার হয়ে একটি মাছের ঝুড়ি হাতে নিয়ে সীমান্তের শূন্য লাইন অতিক্রম করে আনুমানিক আড়াই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কান্দরপাড়া গ্রাম সংলগ্ন ধানের জমির দিকে আসতে দেখে। টহলদল তাকে দেখা মাত্রই চ্যালেঞ্জ করলে তার হাতে থাকা মাছের ঝুড়িটি ফেলে দ্রুত পার্শ্ববর্তী গ্রামের ভেতরে পালিয়ে যায়।
.png)
পরবর্তীতে টহলদল চোরাকারবারির ফেলে যাওয়া মাছের ঝুড়ির ভেতর হতে ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। চোরাকারবারিকে শনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।