পিপলু ফেনী পৌরসভার মাস্টার পাড়ার মৃত অমর বিন্দু মজুমদারের ছেলে। তিনি ফেনী কোর্টের আইনজীবী।
মামলার এজাহার ও পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী নারী বিএসএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তার স্বামী ঢাকায় চাকরি করেন। তার দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সম্প্রতি ওই নারীর সঙ্গে পিপলুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সময় তিনি নিজেকে মুসলিম পরিচয় দেন, এছাড়াও ব্যাংকে চাকরি করেন বলে জানান। গত ৩ অক্টোবর ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভনে ডেকে এনে ফেনী শহরের ৪নং ওয়ার্ডের বিরিঞ্চি আতিকুল আলম সড়কের কাজী মঞ্জিলে উঠেন। সেখানে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হোন। পরে পিপলু হিন্দু বলে জানতে পারেন ওই নারী। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে ফেনী মডেল থানা পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করেন।
.png)
মামলার বাদী জানান, পরিচয়ের শুরুর দিকে প্রতারক পিপলু বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বামীকে তালাক দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। অথচ তিনদিন বাসায় রাখার পর বিয়ে না করে টালবাহানা করেন। পরবর্তীতে তাকে কেউ গ্রহণ করবেন না, তার সঙ্গে থাকতে হবে বলে ভয়ভীতি দেখান।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় শুক্রবার ফেনী মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পিপলুকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান, শুক্রবার মামলার বাদী গৃহবধূর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী রোববার আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের কথা রয়েছে।
ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মামলা দায়েরের পর তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।