ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ঘুইঙ্গাকুল গ্রামের সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী সম্প্রতি রাতের খাবার খেয়ে দুই শিশু কন্যাকে নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সুযোগে বাঘুরিয়া গ্রামের চান্দু ঘরামীর ছেলে জামাল ঘরামী ঘরের পেছনের বেড়া খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় প্রবাসী স্ত্রীর ডাক-চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ছুটে এলে জামাল ঘরামী দৌড়ে পালিয়ে যান।
পরে ওই প্রবাসীর স্ত্রী ডাসার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের কথা জেনে অভিযুক্ত জামালকে নিয়ে গ্রাম্য মাতুব্বররা মিলে গোপনে একটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। সালিশে অভিযুক্ত জামালকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণ করেন ও অভিযুক্তকে কয়েকটি জুতাপেটা দেন।
.png)
ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, গভীর রাতে আমাদের ঘরের বেড়া ভেঙে দেলোয়ার আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। আমি তার বিচার চাই।
অভিযুক্ত জামাল ঘরামী জানান, আমার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র। সালিশের মাধ্যমে আমার আপোষ মিমাংসা হয়ে গেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য গ্রাম্য মাতুব্বর দেলোয়ার বলেন, আমরা সালিশের আয়োজন করেছিলাম, উভয় পক্ষকে নিয়ে মিমাংসা করার জন্য। কাউকে বাঁচানোর জন্য নয়। তবে সালিশের মাধ্যমে জামাল ঘরামীর বিচার করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি হাসানুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমি দেখছি।