যাত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবরে মানবিকতার হাত বাড়ালো লঞ্চ কর্তৃপক্ষ
মাঝ নদীতে লঞ্চ। ঐ লঞ্চে এক যাত্রী ঢাকা থেকে যাচ্ছিলেন চরফ্যাশনের দিকে। হঠাৎই ঐ যাত্রী জানতে পারলেন তার মা মারা গেছেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। এমতাবস্থায় মানবিকতার হাত বাড়ালো লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, ঢাকা-চরফ্যাশন রুটের যাত্রীবাহী লঞ্চ ফারহান-৬। এই লঞ্চে এক যাত্রী ঢাকা থেকে যাচ্ছিলেন চরফ্যাশনের দিকে। রাত ১টার দিকে লঞ্চটি যখন চাদপুরের মোহনায় পৌঁছায় তখন ঐ যাত্রী জানতে পারেন তার মা মারা গেছেন। এ পরিস্থিতিতে কী করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। কারণ মাঝনদী থেকে কোনো উপায় ছিল না ঢাকায় ফেরার।
এ সময় ঐ যাত্রী তখন লঞ্চের স্টাফদের বিষয়টি খুলে বলেন। যাত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবর হৃদয় স্পর্শ করে স্টাফদেরও। তাৎক্ষণিকভাবে তারা যোগাযোগ করেন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তখন ফারহান লঞ্চ কোম্পানির লোকজন নিজেদের ঢাকাগামী আরেকটি লঞ্চে ঐ যাত্রীকে তুলে দেন। মাঝ নদীতে বিপরীতমুখী দুটি লঞ্চ থামিয়ে এক লঞ্চ থেকে আরেক লঞ্চে ঐ যাত্রীকে তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
.png)
সোমবার (১৬ অক্টোবর) মাঝরাতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের এমন মানবতা নাড়া দিয়েছে অন্যদেরও।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা থেকে লঞ্চে (ফারহান-৬) ছাড়েন। মাঝরাতে লঞ্চটির এক যাত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবর শুনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। এমন মানবিকতা সত্যিই বিরল।
ঐ লঞ্চের স্টাফ সজিব বলেন, ঐ যাত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে আমরা মাঝনদীতে লঞ্চ থামাই। পরে ঝালকাঠি থেকে ঢাকামুখী একটি লঞ্চে তাকে উঠিয়ে দেওয়া হয়।