হামুন মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে লালমোহন উপজেলা প্রশাসন। জরুরি প্রয়োজনের সার্বক্ষণিক বিষয়ে তদারকির জন্য খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। প্রস্তুত করা হয়েছে ১৯৮টি আশ্রয়কেন্দ্র ও নয়টি মেডিকেল টিম। মাঠে কাজ করছেন সিপিপি কর্মকর্তারা। চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করতে বলা হয়েছে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে যারা যাবেন তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে লালমোহনের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনামিকা নজরুল বলেন, ভোলায় ৭ নম্বর বিপৎসংকেত দেখিয়েছে আবহাওয়া অফিস। আমরা এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় হামুন মোকাবিলায় প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি। ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।
.png)
জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরাসহ অদূরবর্তী দ্বীপ-চরের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুটের অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় হামুন আরো উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে ভোলার কাছ দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে।