রোববার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানান জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ফারুক হোসেন।
নিহত সোহেল মিয়া (২৪) ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ এলাকার মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে। গ্রেফতার কাজী রায়হান (২২) একই এলাকার কাজী খোকন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি।
.png)
ওসি ফারুক হোসেন জানান, সোহেল মিয়ার সঙ্গে রায়হানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। প্রায় দুই মাস আগে সোহেলের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা ধার নেন রায়হান। প্রায়ই পাওনা টাকার জন্য চাপ দিলে ধারদেনা করে অল্প অল্প করে পুরো টাকা পরিশোধ করেন। এরপর সোহেল সুদের ওপরে আরও কিছু টাকা রায়হানকে এনে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় চাপ দিতে থাকেন।
একপর্যায়ে রায়হানকে কিডনি বিক্রি করে টাকা দিতে বলে ভয়ভীতি দেখাতে থাকেন। এরই জেরে গত শুক্রবার রাতে ফুফুর বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে দেওয়ার কথা বলে পার্শ্ববর্তী কুশিপাড়া গ্রামে নিয়ে যান। পরে সুযোগ বুঝে ঘাড়ে ও মাথার পেছনে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে সোহেলকে হত্যা করে মরদেহ ফেলে রেখে চলে যান।
এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে নিহতের স্ত্রী মৌসুমি আক্তার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। শনিবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঈশ্বরগঞ্জ শিমুলতলী বাজার এলাকা থেকে রায়হানকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দেন। পরে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি ফারুক হোসেন।