বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় বন্দরের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকা থেকে মূলহোতা শামিম হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি সাদিপুর গ্রামের আব্দুল মোমিনের ছেলে।
জানা যায়, গ্রেফতারকৃত শামিমের পিতা আব্দুল মোমিন একজন বড় মাপের চোরাচালানকারী। তিনি কয়েকবার বেনাপোল পোর্ট থানায় সোনাসহ গ্রেফতার হন। ছাড়া পেয়ে আবারো তিনি বিভিন্ন চোরাচালান, অর্থ পাচার ও ভ্রমণ ট্যাক্স জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
.png)
ট্যাক্স জালিয়াতির ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, জাল ভ্রমণ কর রশিদ ও সোনালী ব্যাংকের সিল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ভারতগামী ৮ জন যাত্রীর কাছ থেকে ৮টি জাল ভ্রমণ কর রশিদ জব্দ করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কামাল হোসেন ভূইয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শামিম স্বীকার করেছেন, জাল ভ্রমণ ট্যাক্স ফাঁকির এ চক্রের সঙ্গে আরো ৫/৬ জন জড়িত। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভারতগামী যাত্রীদের সিরিয়াল ছাড়া পুলিশ ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের কাজ দ্রুত করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ভ্রমণ করের টাকা হাতিয়ে নেন।
শামিমের বিরুদ্ধে বেনাপোল পোর্ট থানায় এর আগেও একটি কর জালিয়াতির মামলা রয়েছে। জেলও খেটেছেন কয়েকবার। জামিনে বের হয়ে আবারো ওই চক্রের সঙ্গে কাজ শুরু করেন বলে জানা গেছে।