হোসেনপুর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান টিটু জানান, চাঞ্চল্যকর তিন খুনের মামলার রিমান্ড শুনানির তারিখ ধার্য ছিল ২১ নভেম্বর। তাই গত মঙ্গলবার বিকেলে আসামিদের আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমান্ড চাওয়া হলে দীর্ঘ শুনানি শেষে কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জিন্নাত আরা তাদের দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পুলিশ জানায়, চাঞ্চল্যকর ওই তিন খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গত ১৫ নভেম্বর হোসেনপুর উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের বাসুরচর পশ্চিম পাড়া গ্রাম থেকে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫) ও মো. জহিরুল ইসলাম ছোটনকে (৩৩) গ্রেফতার করা হয়। জাহাঙ্গীর উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের বাসুরচর গ্রামের মৃত আবদুস সোবাহানের ছেলে ও ছোটন একই গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।
.png)
উল্লেখ্য, গত ১৪ নভেম্বর সকালে হোসেনপুর উপজেলার সাহেদল ইউনিয়নের বাসুরচর পশ্চিম পাড়া গ্রামে নিজের ঘর থেকে সৌদি প্রবাসী মঞ্জিল মিয়ার স্ত্রী তাছলিমা আক্তার (৩৫), বড় মেয়ে মোহনা (১১) ও ছোট মেয়ে বন্যার (৭) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় ওই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্ত ও ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহের পর তাদের শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পায় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।
পাশাপাশি হত্যার আগে গৃহবধূ তাসলিমা ও তার বড় মেয়ে মোহনাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন ওই টিমের সদস্য পরিদর্শক মুহাম্মদ ইউছুফ। স্বামী বিদেশ থাকায় দুই মেয়েকে নিয়ে গৃহবধূ তাছলিমা স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করতেন। তার বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী পাকুন্দিয়া উপজেলার নারান্দি (নরপুর) গ্রামে। সেখানই গত ১৭ নভেম্বর সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে স্ত্রী ও দুই মেয়ের জানাজা শেষে দাফন করেন প্রবাসী মঞ্জিল মিয়া।