নেত্রকোণায় পৃথক মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
নেত্রকোণায় পৃথক মামলার তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে চাঞ্চল্যকর শিশু হত্যা মামলার তিন আসামির মধ্যে দুইজনকে শিশু আদালতে এবং পলাশ সরকার নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া মাদক মামলায় ইয়াসমিন আক্তার ও মো. কাইয়ূম ওরফে কিংকনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ২০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নেত্রকোণার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এএফএম মারুফ চৌধুরী এ রায় দেন।
.png)
আসামিদের উপস্থিতিতে রায় দিয়ে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (অতিরিক্ত পিপি) অ্যাডভোকেট কমলেশ কুমার চৌধুরী।
তিনি জানান, নেত্রকোণা সদর উপজেলার মুক্তিরবাজার দেওপুর এলাকার অমল সরকারের ছেলে পলাশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট সুমন মল্লিকের ছেলে শিশু বিশাল মল্লিককে নিজ ঘরে গলা কেটে হত্যা করেন। পরের দিন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় সুমন মল্লিক বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ঐ বছরের ২৫ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করে। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করেন। ঐ ঘটনায় আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করলেও তারা শিশু হওয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে মাদক মামলার আসামি নেত্রকোণা পৌরশহরের চকপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াহাবের ছেলে মো. কাইয়ূম ওরফে কিংকনকে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকের আরো সাতটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এছাড়াও আরেকটি মাদক মামলার আসামি নেত্রকোণা পৌরশহরের মঈনপুর এলাকার মেহেদী হাসানের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তারকে ২০১৮ সনের ২৭ মে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধেও আদালতে আরো চারটি মামলা চলমান।