ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়

লিটন ঘোষ জয়, মাগুরা
প্রকাশিত: ১৯:০৩, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
মাগুরায় ঐতিহ্যবাহী মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড়
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাগুরার ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী পূজার উৎসবকে ঘিরে শহরের নতুন বাজার ছানাবাবুর বটতলায় বসেছে জমজমাট মেলা। মেলায় নানা তৈজসপত্র, ক্রোকারিজ, ড্রেস, খেলনা, কসমেটিক, চটপটি-ফুচকা, মিষ্টিসহ কাঠ, বাঁশ, বেতের বিভিন্ন আসবাবপত্র বিক্রি হচ্ছে।

মেলা প্রাঙ্গণে শিশুদের বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে নাগরদোলা, বাম্পার কার, মিনি ট্রেনসহ বিভিন্ন উপকরণের। সেখানে শিশুরা মনের আনন্দে মেতেছেন বিনোদনে।

সরজমিনে দেখা গেছে, দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখরিত হচ্ছে মেলা প্রাঙ্গণ। বিভিন্ন স্টলে উপচেপড়া ভিড়। স্টলগুলোতে ঘুরে ঘুরে জিনিসপত্র দেখছেন দর্শনার্থীরা।

Advertisement

স্ত্রী-সন্তান নিয়ে মেলায় ঘুরতে আসা শহরের সাতদোহা এলাকার বাসিন্দা উজ্জ্বল বসু বলেন, আগে কাত্যায়নী পূজা ঘিরে মাসব্যাপী মেলা হতো। তখন আরো জাঁকজমকপূর্ণ হতো। এখন মেলায় স্টল কম, মানুষও কম। এরপরও মেলা আয়োজন হওয়ায় উৎসাহ প্রকাশ করেন তিনি।

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

মাগুরার ইতিহাস ঐতিহ্য গবেষক ডা. কাজী তাসুকুজ্জামান বলেন, মাগুরার ঐতিহ্যবাহী কাত্যায়নী পূজা দেখতে দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীরা ছুটে আসেন। এ পূজার মূল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতায় হিন্দু ধর্মের মানুষেরা অংশ নিলেও উৎসবে যোগ দেন সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীরা আসেন কাত্যায়নী পূজা ও মেলা দেখতে। এর সূচনা করেন শহরতলীর পারন্দুয়ালী এলাকার সতিশ মাঝি। সে সময় জেলেরা আশ্বিন মাসে মাছ শিকারে নদীতে ব্যস্ত থাকার কারণে দুর্গাপূজা থেকে বঞ্চিত হতেন। এজন্য দুর্গাপূজার ঠিক এক মাস পরে দুর্গার আদলে বহু প্রতিমা তৈরি করে তার বাড়িতে মহা ধুমধামে এ পূজার আয়োজন শুরু করেন। পরবর্তীকালে যা ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটে।

এ বছর মেলা শুরু হয়েছে ২৪ নভেম্বর। চলবে আগামী পাঁচ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে মেলার সময় আরো বাড়তে পারে বলে জানান আয়োজকরা। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত চলছে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এছাড়া মেলায় প্রবেশ করতে কোনো টিকিটের ব্যবস্থা নেই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
ট্যাগ: মাগুরা মেলা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!