প্রেম করে গোপনে বিয়ে, স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন
সোয়াইবের সঙ্গে দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক কলেজছাত্রীর। দীর্ঘদিনের সেই প্রেমের সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ দিতে চলতি বছরের আগস্টে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে নিকাহনামা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করেন তারা। গোপনে কিছুদিন সংসারও করেন। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে সোয়াইব ও তার স্বজনরা বিয়ে মেনে নিচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন ওই কলেজছাত্রী। এরপর সংসার করার প্রলোভন দিয়ে জামিনে বেরিয়ে এসে তালবাহানা শুরু করেন সোয়াইব। তাই বাধ্য হয়ে স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে সোয়াইবের বাড়িতে অনশনে বসেছেন ওই ছাত্রী। তবে স্ত্রীকে বাড়িতে দেখে পালিয়েছেন সোয়াইব।
ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর রাণীনগর পজেলার সিম্বা গ্রামে যুবক সোয়াইব প্রামাণিকের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ওই কলেজছাত্রী অনশন করে বসে থাকার খবর পাওয়া গেছে।
ওই কলেজছাত্রী বলেন, কলেজে যাওয়া-আসার সময় দুই বছর আগে সিম্বা গ্রামের সোয়াইবের সঙ্গে আমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের মাধ্যমে গত আগস্ট মাসে গোপনে আমরা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে নিকাহনামা রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করি। বিয়ের পর আমরা গোপনে কিছু দিন সংসারও করেছি। এরপর আমাদের বিষয়টি জানাজানি হলে সোয়াইব ও তার পরিবার বিয়ে মেনে নিচ্ছিলেন না। বাধ্য হয়ে আমি আদালতে মামলা করি। এরপর সোয়াইব আমার সঙ্গে সংসার করার প্রলোভন দিয়ে জামিন নিয়ে এসে সংসার করতে অসম্মতি জানান। তাই বাধ্য হয়ে বুধবার সকাল থেকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন করছি।
.png)
তিনি আরো বলেন, আমি যদি স্ত্রীর স্বীকৃতি না পাই, তা হলে এখানে জীবন দিব, তাও অন্য কোথায় যাব না।
রাণীনগর থানার ওসি আবু ওবায়েদ বলেন, অনশন করার বিষয়টি শুনেছি। তবে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।