অনশনে বসেও বিয়ে করতে ব্যর্থ: সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর ধর্ষণ মামলা
প্রাইভেট শিক্ষক প্রেমিককে বিয়ে করতে অনশনে বসেন ছাত্রী। বিয়ে না করলে হুমকি দেন আত্মহত্যার। কিন্তু তিনদিন পেরিয়ে গেলেও প্রেমিক আল মামুনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অনশন ভেঙে প্রেমিক প্রাইভেট শিক্ষক আল মামুনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা। বুধবার রাতে বরগুনার তালতলী থানায় প্রেমিক আল মামুনকে প্রধান আসামি করে দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) ওই ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, গত সোমবার দুপুরে উপজেলার বড়বগী ইউনিয়নের তালুকদারপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে প্রেমিক প্রাইভেট শিক্ষক আল মামুনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন ওই ছাত্রী। বিয়ে না করলে তিনি আত্মহত্যার হুমকি দেন। কিন্তু তিনদিন পেরিয়ে গেলেও প্রেমিক আল মামুনের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ফলে বাধ্য হয়ে অনশন ভেঙে বুধবার রাতে তালতলী থানায় প্রেমিক আল মামুনকে প্রধান আসামি করে দুইজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করা হয়।
.png)
ওই ছাত্রী জানান, বিয়ের প্রলোভনে আট বছর ধরে প্রাইভেট শিক্ষক আল মামুন তার সঙ্গে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছেন। এখন বিয়ে না করে টালবাহানা শুরু করেছেন। অনশনের খবর পেয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন প্রাইভেট শিক্ষক প্রেমিক। কিন্তু তিনদিনেও তার কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। বাধ্য হয়ে অনশন ভেঙে প্রেমিক আল মামুনসহ দুইজনের বিরুদ্ধে তালতলী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন তার বাবা।
প্রেমিক প্রাইভেট শিক্ষক আল মামুনের বাবা আমির হোসেন বলেন, কীভাবে, কার সঙ্গে বিয়ে দেব? ছেলেকেই তো কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না।
তালতলী থানার ওসি শহিদুল ইসলাম খান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় প্রেমিক মামুনসহ দুইজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ওই ছাত্রীকে পুলিশ হেফাজতে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।