শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মনিপুর বাজার এলাকায় প্রেমিক মিরাজের বাড়ি থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মারিয়া আক্তার ঝর্ণা (১৯) গাজীপুর সদর উপজেলার বিকেবাড়ী তালতলী এলাকার মুকুল হোসেনের মেয়ে। আটককৃত প্রেমিক মিরাজ মির্জাপুর ইউনিয়নের মনিপুর বাজার এলাকার স্থানীয় মজিবুর রহমান ছেলে।
.png)
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঝর্ণার সঙ্গে মিরাজের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিরাজকে বিয়ে করবে বলে ঝর্ণা মিরাজকে কথা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে মিরাজ জানতে পারেন ঝর্ণার সঙ্গে একাধিক ছেলের সম্পর্ক রয়েছে। মিরাজ বিষয়টি ঝর্ণাকে জানালে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ঝর্ণাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মিরাজ। এর প্রেক্ষিতে গত ২৪ ডিসেম্বর মিরাজের নিজ ঘরে নিয়ে ঝর্ণাকে হত্যা করেন।
জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম জানান, দুপুরের পর থেকে মিরাজ থানার সামনে অনেকটা মানসিক ভারসাম্যহীনভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। তার ঘোরাঘুরি সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে থানার ভেতরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি প্রেমিকা ঝর্ণাকে হত্যার কথা পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে মিরাজের ঘরের ভেতরে বাথরুম থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
জয়দেবপুর থানার ওসি সৈয়দ মিজানুর ইসলাম বলেন, ঝর্ণাকে ধারালো বটি দিয়ে গলা কেটে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখেন। এ ঘটনায় প্রেমিক মিরাজের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।