নিহত কামরুল ইসলাম চালিভাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, চালিভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির ও জেলা পরিষদের সদস্য (মেঘনা) মো. কাইয়ুম হোসেন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এতে কয়েক মাস আগে কাইয়ুম গ্রুপের হামলায় হুমায়ুন চেয়ারম্যানের ছোট ভাই নিজাম সরকার নিহত হন।
.png)
সম্প্রতি নিজাম সরকার হত্যায় অভিযুক্ত আসামিরা আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান। আসামিরা বাড়িতে ফিরতে চাইলে গত রোববার (২৮ জানুয়ারি) তাদের ধাওয়া দেন হুমায়ুন চেয়ারম্যান গ্রুপের লোকজন। বিষয়টি থানা পুলিশ অবগত থাকায় পরবর্তীতে রোববার রাত থেকে চালিভাঙ্গা বাজারে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।
কাইয়ুম গ্রুপের নলচর, ফরাজিকান্দি, চালিভাঙ্গার লোকজন সোমবার দুপুরে ফের যার যার বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে হুমায়ুন চেয়ারম্যানের ছোট ভাই টিটু সরকারের নেতৃত্বে তাদের ওপর আবারো হামলা চালানো হয়। এ সময় উভয় গ্রুপের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে কাইয়ুম গ্রুপের কামরুল ইসলামসহ অন্তত ৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে কামরুল ও দাইয়ানকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে কামরুল মারা যান।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মেঘনা থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে মাঠে নেমেছে পুলিশ।