শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে র্যাব-১৩, সিপিসি-৩ গাইবান্ধা এর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাব-১৩ এর রংপুরের অধিনায়ক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন ইছাপুর বরশা বাজার এলাকা থেকে হাফিজারকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাফিজার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
র্যাব কর্মকর্তা আরাফাত ইসলাম জানান, জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের পূর্ব ঝিনিয়া গ্রামের হযরত আলীর সঙ্গে একই গ্রামের আব্দুল জলিলের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ ঐ জমিতে হযরত আলী আমন ধান চাষ করেন। আদালতে মামলার রায় নিজের পক্ষে পেয়ে ২০১৬ সালের ১২ নভেম্বর আব্দুল জলিল তার লোকজন নিয়ে ধান কাটতে যান। ধান কাটার বিষয়টি আগেভাগে জানতে পেরে হযরত আলী গোপনে জমির পার্শ্ববর্তী তার রাইচ মিল থেকে বিদ্যুতের তার পেতে সম্পূর্ণ জমি ঘিরে রাখেন।
পরে ঐদিন সকালে আ. জলিলের আত্মীয় তসলিম উদ্দিন বেশকিছু নারী-পুরুষ শ্রমিক নিয়ে ঐ জমিতে ধান কাটতে নামলে প্রথমে তসলিম তারে জড়িয়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার চাচাতো বোন মর্জিনা খাতুনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দু’জনই মারা যান। পরে এ ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ মামলায় ঐ সাত আসামির মধ্যে আদালত তিন সহোদর আসামির মৃত্যুদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই আসামি হাফিজার পলাতক ছিলেন -যোগ করেন আরাফাত ইসলাম।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ নিজেকে আত্মগোপনে রেখে বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করতেন। র্যাব-১৩ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে হাফিজারকে গ্রেফতার করে।