আটককৃত যুবকের নাম জাহিদ হাসান। তিনি যশোর সদর উপজেলার নওদাগ্রামের আবু দাউদ হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ অনুষ্ঠিত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। এরপর জাহিদকে যশোর ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে কানের ভেতর থেকে ডিভাইসটি বের করে আনা হয়। পরে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করে পুলিশে সোপর্দ করে।
.png)
যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মরজিনা আক্তার বলেন, তাদের কলেজে পাঁচটি কেন্দ্র ছিল। নতুন বিজ্ঞান ভবনের ১০৫ নম্বর কক্ষে ঐ যুবক পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। ঐ কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন প্রফেসর মদন কুমার সাহা।
তিনি আরো বলেন, কানের মধ্যেই তার একটি ডিভাইস ছিল। আরেকটি ছিল পকেটে। কথা ছিল এ ডিভাইসের মাধ্যমে একজন প্রশ্নের উত্তরগুলো জানিয়ে দেবেন জাহিদকে। কিন্তু জাহিদ উত্তর না পেয়ে বসেই ছিলেন। দীর্ঘ সময় হলেও তিনি উত্তর পত্রে কিছুই লিখছিলেন না। তার উত্তরপত্র দেখে সন্দেহ হয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের। এর মধ্যেই একটি শব্দ হওয়ায় ধরে ফেলে জাহিদকে। পরে তাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঐ যুবককে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে কানের ভেতর থেকে ডিভাইসটি বের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জেল হোসেন খান বলেন, এ বিষয়ে জানতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে ঐ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এর নেপথ্যে অন্যকোনো ঘটনা রয়েছে কিনা সে বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।