মঙ্গলবার সকালে আশালতা দাসের মরদেহ ঘরের বারান্দায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় প্রতিবেশীরা।
জানা যায়, আশালতা দাসের দুটি মেয়ে। তাদের অনেক আগেই বিয়ে হয়েছে। মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনি সবাই পাংশা শহরে থাকেন। গ্রামের বাড়িতে একা বাস করতেন আশালতা দাস। পুরাতন বাড়িতে পুকুর, মাঠের জমি ছাড়াও বাগান রয়েছে। আশালতা দাসের দান করা জমির ওপর এলাকায় বিদ্যালয়, হাট-বাজার হয়েছে। এসব দেখাশোনা করার জন্য লোক ছিল। সকালে বাড়ির কাজের লোক আশালতা দাসের মরদেহ ঘরের বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
.png)
আশালতা দাসের প্রতিবেশী স্কুল শিক্ষক দিপক দাস জানান, বাড়িতে আশালতা দাস দীর্ঘদিন ধরে একা বসবাস করেন। সকালে বাড়ির কাজের লোক গেটে গিয়ে ডাকলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে অন্য পাশে গিয়ে বারন্দায় মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এলাকায় কারো সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না। এলাকার মধ্যে তাকে সবাই সম্মান করতেন।
সরিষা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল আল বাহার বিশ্বাস বলেন, এলাকার মধ্যে এটি ঠাকরুন বাড়ি হিসেবে পরিচিত। সেই বাড়ির মালিককে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তা খুব মর্মান্তিক। প্রশাসনের কাছে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
পাংশা থানার ওসি স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।