বৃহস্পতিবার সকালে সলঙ্গা থানার ওলিদহ পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার পুলিশ। নিহত শিশু সানজিদা খাতুন আমসড়া গ্রামের শাহিনের মেয়ে। গ্রেফতারকৃত শরিফুল ওলিদহ গ্রামের মো. নুরালের ছেলে ও হাসমত আলী একই গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।
সলঙ্গা থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, শিশু সানজিদার মা জরিনা খাতুনের সঙ্গে প্রথম স্বামী শাহিনের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর শরিফুলকে বিয়ে করেন সানজিদার মা। তিনি ছিলেন শরিফুলের চতুর্থ স্ত্রী। এরই মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে দেড় মাস আগে মা জরিনা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে যান। শরিফুল তাকে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হন। পরে জরিনার প্রতিবেশী ভাই হাসমতের শরণাপন্ন হন শরিফুল। হাসমত আলী তাকে বলেন, সানজিদাকে অপহরণ করে তার হাতে তুলে দিলেই তোমার স্ত্রীকে ফেরত পাবে।
.png)
এরই মধ্যে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মাদরাসায় যাওয়ার পথে হাসমত ও শরিফুল সানজিদাকে অপহরণের চেষ্টা করেন। তারা চিপসের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সানজিদা চিৎকার করলে তাকে গলাটিপে হত্যার পর কবরস্থানের জঙ্গলে মরদেহ ফেলে রেখে যান। ওই রাতেই মরদেহ পাশের একটি ধানক্ষেতে পুঁতে রাখেন তারা। এদিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর সানজিদার সন্ধান না পেয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি তার নানা জহুরুল ইসলাম থানায় জিডি করেন।
তিনি আরো বলেন, জিডি হওয়ার পর পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে ওই দুইজনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেন তারা। তাদের দেওয়া তথ্যমতে ধানক্ষেতে পুঁতে রাখা অবস্থায় সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।