রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার দর্শনা থানার সীমান্তবর্তী ছয়ঘড়িয়া গ্রাম থেকে দেড় কেজি ওজনের ১১ টি সোনারবারসহ ওই নারীকে আটক করা হয়। আটক তাছলিমা খাতুন দর্শনা থানার কামাড়পাড়া এলাকার রেজাউল করিমের মেয়ে।
রোববার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি অধিনায়ক সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
.png)
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার সকালে চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবি অধিনস্ত সুলতানপুর বিওপি কমান্ডারের নেতৃত্বে ছয়ঘড়িয়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সকাল ১১টার দিকে ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকযোগে কয়েকজন যাত্রী ছয়ঘড়িয়া গ্রামের মধ্য দিয়ে সীমান্ত অভিমুখে যাওয়ার পথে বিজিবি সদস্যরা ইজিবাইক তল্লাশি করেন। তল্লাশি কার্যক্রম চলাকালে ইজিবাইকে অবস্থানরত তাছলিমা খাতুন নামের এক নারী সন্দেহজনক আচরণ করেন।
পরে এই নারীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তার শরীরের কোমরে লুকায়িত অবস্থায় এক কেজি ৩২০ গ্রাম ওজনের ১১টি সোনারবার বিজিবি সদস্যদের সামনে ফেলে দেয়।
চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক সাঈদ মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, আটক সোনার বারগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আটক নারী চোরাকারবারিকে দর্শনা থানায় হস্তান্তরসহ বিজিবির পক্ষ থেকে একটি মামলা করা হয়েছে। এছাড়া আটক সোনারবারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।