বুধবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার গলিয়ারা দক্ষিণ ইউনিয়নের নলকুড়ি এলাকার নিজ বাড়ির পাশের কোচিং সেন্টারে ঘটনা ঘটে। নিহত গোলাম রসূল লিটন ওই গ্রামের তফাজ্জল হোসেনের ছেলে। তিনি নলকুড়ি ফোরকানিয়া মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি বাড়ির পাশের কোচিং সেন্টারে প্রাইভেট পড়াতেন। আটক সাফায়াত আলী একই গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় লিটন নিজের কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছিলেন। এ সময় মাদকাসক্ত সাফায়াত সেখানে হাজির হয়ে লিটনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।
.png)
এ সময় মা আকলিমা ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও কুপিয়ে জখম করেন। ছেলের হত্যার খবর পেয়ে লিটনের
বাবা তোফাজ্জল হোসেন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। খবর পেয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে সাফায়াতকে আটক করে পুলিশ। তবে কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানাতে পারেনি স্থানীয়রা।
নিহতের মা আকলিমা বলেন, আমি আর কিছু চাই না, আমার কলিজার ধন ছেলের হত্যাকারীর ফাঁসি চাই।
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রাতেই অভিযুক্ত সাফায়াতকে আটক করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। হত্যার কারণ জানতে আটককৃত সাফায়াতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।