এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ক্লিনিক মালিকের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
জানা যায়, উপজেলার আউশকান্দি বাজারে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে কেয়ার মেডিকেল সার্ভিসেস নামে একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন হাসপাতাল। গত বুধবার সন্ধ্যায় ১৩ বছর বয়সী ছেলে তামিম মিয়াকে খতনা করাতে সেখানে যান ঐ উপজেলার উত্তর ফরিদপুর গ্রামের আব্দুস শহিদের স্ত্রী পারভীন বেগম। ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে তামিমের খতনা করেন ডা. জহিরুল ইসলাম জয়।
.png)
কিন্তু খতনার সময় পুরুষাঙ্গের অতিরিক্ত মাংস কেটে ফেলায় মারাত্মক রক্তক্ষরণ শুরু হলে তামিমকে গুরুতর অবস্থায় সিলেট পাঠানো হয়। পরে এ ব্যাপারে তামিমের স্বজনরা হাসপাতালে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে কর্তৃপক্ষ।
এ ব্যাপারে বুধবার রাতেই নবীগঞ্জ থানায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল মালিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন তামিমের চাচা হারুন মিয়া। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা।
তবে, হাসপাতাল মালিক সোহুল আমিন জানান, রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় দ্রুত রোগীকে সিলেট পাঠানো হয়েছে। আর দুর্ব্যবহার নয়, মুঠোফোনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি হয়েছে।
এ বিষয়ে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. মাসুক আলী বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।